২০২৬ সালে বাংলাদেশে রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার এবং শেষ হতে পারে ২০ মার্চ, শুক্রবার। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চাঁদ দেখার পরে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের শুরু ও শেষের দিন ঘোষণা করবে।
রমজানের তাৎপর্য
বাংলাদেশে রমজান মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক সময়। এই মাসে মুসলিমরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন, নামাজ ও কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং দান-সদকা বাড়ান। রমজান শুধু ইবাদতের মাস নয়, এটি ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মাস।
বাংলাদেশে রমজান অনুষ্ঠান
বাংলাদেশে রমজান মাসে মসজিদ ও ইবাদতখানায় বিশেষ নামাজ, কোরআন পাঠ ও তিলাওয়াতের আয়োজন হয়। ফজরের পরে এবং রাতে তারাবি নামাজ পড়া হয়। এছাড়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে গরিব ও দুঃস্থদের জন্য ইফতার বিতরণ, জাকাত ও সহায়তার কার্যক্রম বেড়ে যায়।
২০২৬ সালের রমজান বাংলাদেশে মুসলিম উম্মাহর জন্য আধ্যাত্মিক উন্নতি ও সহমর্মিতার মাস হবে। এটি শুধু রোজা রাখার নয়, বরং আত্মিক উন্নতি, ধৈর্য, সহানুভূতি ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মাস।

বাংলাদেশি অনুবাদক মাসুদ শরীফের জন্ম ১৯৮৭ সালের ৩ নভেম্বর। ইসলামিক ভাবধারার বই অনুবাদ করে তিনি যথেষ্ট পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রনিকস এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে তিনি পুরোদস্তুর লেখক-অনুবাদক। পাঠকনন্দিত মাসুদ শরীফ এর বই সমগ্র হলো 'বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ' (ড. হিশাম আল আওয়াদি), 'হালাল বিনোদন' (শাইখ আবু মুয়াবিয়াহ ইমসালই কামদার), 'স্রষ্টা ধর্ম জীবন' (ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স), 'আবু বকর আস-সিদ্দীক: জীবন ও শাসন' (ড. আলী মুহাম্মাদ আস-সাল্লাবী), 'দু'আ বিশ্বাসীদের হাতিয়ার' (ড. ইয়াসিন ক্বাদি) ইত্যাদি। শুধু নিছক অনুবাদগ্রন্থ হিসেবে নয়, মাসুদ শরীফ এর বই পাঠকদের ইসলামিক বইগুলোর সাহিত্যরস বাংলায় অনুভব করতে উদ্দীপনা জোগায়, তাঁর সাবলীল শব্দশৈলীর প্রয়োগ রচনাগুলোতে করে প্রাণসঞ্চার। বর্তমানে এই অনুবাদক স্ত্রী, দুই কন্যা ও মা-বাবাকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন।